মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে আংশিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) রাত ১টা ৪৫ মিনিটে এটি চালুর পর জাতীয় গ্যাস গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে।
পেট্রোবাংলার দৈনিক তথ্য অনুযায়ী, সকালে জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ মিলিয়ন ঘনফুটে। পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি ও অপারেশন) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, বর্তমানে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং অবশিষ্ট অংশ এক্সিলারেট এনার্জি সরবরাহ করছে।
দেশীয় ক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক ১,৬১৩ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদনের ফলে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২,৩৬৪ মিলিয়ন ঘনফুটে। সামিট ও এক্সিলারেটের টার্মিনাল দুটির যৌথ প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষমতা দৈনিক ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও বিভিন্ন পরিচালনগত জটিলতায় পুরো সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে কারিগরি বিভ্রাটে এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে গেলে সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডে টার্মিনালটি প্রথম দফায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে, এলএনজিবাহী জাহাজের ধরনজনিত জটিলতায় সামিটের টার্মিনালে রিগ্যাসিফিকেশনে সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন কার্গো ভেড়ায় তাদের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।
দুটি টার্মিনালই পূর্ণ উৎপাদনে ফিরলে দেশজুড়ে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট ও শিল্প খাতের উৎপাদন ঘাটতি অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।





মন্তব্য করুন