ঢাকা
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertise with us

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি আলোচনার আশায় বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬   ৪৮ বার পঠিত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি আলোচনার আশায় বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

ছবি: -সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর মধ্যস্থতা চলছে— এমন খবরের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। যদিও অন্যদিকে দুই পক্ষের হামলা-পালটা হামলা এবং ইয়েমেনের হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের হুমকিতে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। খবর : রয়টার্সের

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৫ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ কমে ৮৮.৮৭ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের সেপ্টেম্বরের চুক্তির দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৮২.৪৭ ডলার, যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এর আগের দিন আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দাম চলতি মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ ডলার ছাড়িয়েছিল।

এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথিরা সোমবার ঘোষণা দিয়েছে, তারা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে নতুন একটি ফ্রন্ট খুলতে পারে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়েছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, হুথিদের এই হুমকি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে সৌদি আরব থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে তেহরান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব পেয়েছে। ১৭ জুন হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তিকে কার্যকর রেখে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (রেভল্যুশনারি গার্ডস) মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের বিরুদ্ধে আরও এক দফা হামলা শুরু করেছে।

আইজি মার্কেটের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, তেলের দাম ইতোমধ্যে অনেক বেড়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে আপাতত যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার খবর দামকে আরও বাড়তে দিচ্ছে না। তবে এসব আলোচনা থেকে বাস্তবে কোনো সমাধান আসবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।

এদিকে রয়টার্সের এক প্রাথমিক জরিপে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ও পেট্রলের মজুত কমে থাকতে পারে। তবে ডিজেল ও অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানির মজুত কিছুটা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa