ঢাকা
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বিশ্বে হামের সর্বোচ্চ প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে ধূমপানমুক্ত গণপরিবহনের দাবি ঢাকা-চট্টগ্রামে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ ভোলা থেকে মূল ভূখণ্ডে গ্যাস আনতে সময় লাগবে সাত বছর: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগকে স্বাগত, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষায় BMF-এর ১০ দফা দাবি শর্তসাপেক্ষে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চানব্যবসায়ীরা দেশে ভালো নির্বাচনের স্থায়ী সংস্কৃতি চালু করতে চাই: সিইসি দুর্গাপূজায় পদ্মার ইলিশ চায় ভারতের ব্যবসায়ীরা হাটহাজারীতে অনুশীলনে দুই সৈনিক নিহত পলিথিন ও প্লাস্টিক বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Advertise with us

ঢাকা-চট্টগ্রামে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ২ বার পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রামে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  ছবি: -সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব আশঙ্কাজনকভাবে কমিয়ে আনতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই রুটে পরিবেশবান্ধব ও দ্রুতগতির ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা। কাঙ্ক্ষিত অর্থায়ন মিললেই মেগা প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থনৈতিক করিডোরে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথকে আধুনিক ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশকে ডুয়েলগেজে উন্নীত করার সমীক্ষা ও নকশা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং টঙ্গী-আখাউড়া অংশের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।

রেলপথের ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে আনার কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে ঢাকা থেকে সরাসরি কুমিল্লা পর্যন্ত একটি কর্ডলাইন নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। বর্তমানে নতুন এই কর্ডলাইনের ওপর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ নকশা তৈরির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এই কর্ডলাইনটি নির্মিত হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী দূরত্ব সরাসরি কমে যাবে, যার ফলে ট্রেনের গতি বহুগুণ বাড়বে এবং বর্তমানের চেয়ে অনেক কম সময়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

ইলেকট্রিক ট্রেনের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থার যাবতীয় কারিগরি প্রস্তুতি শেষ। এখন বৈদেশিক বা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থসংস্থান নিশ্চিত হওয়া মাত্রই এটি দৃশ্যমান করার মূল কাজ শুরু হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশে প্রথমবারের মতো দ্রুতগতির ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হবে, যা রেলওয়ের পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতে এক যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa