https://asia24.tv


ছবি: বাসস ছবি: -সংগৃহীত
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেন, পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা না করে ব্যক্তিগত নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। নদীগুলোর দূষণ রোধ, বর্জ্য নিষ্কাশন, নাব্যতা বৃদ্ধি ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথ চালুর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত গৃহিত সমস্ত পরিকল্পনা দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন।
উচ্চপর্যায়ের এই পর্যালোচনা সভায় সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ ও মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। সভায় ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরাও অংশ নেন।


