ঢাকা
২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
দেশে সারের সংকট নেই: তথ্য উপদেষ্টা নির্ভরতা নয়, চাই পারস্পরিক সহযোগিতা: ইইউ রাষ্ট্রদূত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে শিগগিরই নীতিমালা: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশের সর্বাত্মক সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস ইউএনডিপির ওমান উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে হেয়ারকাট বাতিল: চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল, একদিনে পরিবর্তন সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার
Advertise with us

খান একাডেমির গণিত শিক্ষা চালু হচ্ছে ১০০ স্কুলে

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬   ৮০ বার পঠিত
খান একাডেমির গণিত শিক্ষা চালু হচ্ছে ১০০ স্কুলে

ছবি: -প্রতিনিধি

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ে গণিত শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের সাতটি জেলার ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খান একাডেমি বাংলাদেশ-কে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সাজেদা ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড় জেলার নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মাউশি কয়েকটি শর্তও নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় ও ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না এবং নিয়মিত শ্রেণি পাঠদানে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না।

এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং চূড়ান্ত তালিকার জন্য মাউশির অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদিত কার্যক্রমে কোনো ধরনের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা মেয়াদ সংশোধনের ক্ষেত্রেও মাউশির পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক।

মাউশি জানিয়েছে, উপজেলা, জেলা ও আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিত প্রকল্পটির অগ্রগতি তদারকি করবেন। এ তদারকির সব ব্যয় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বাস্তবায়নকারী সংস্থা সাজেদা ফাউন্ডেশন বহন করবে।

এ ছাড়া প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি প্রতিবেদন এবং প্রকল্প শেষে বার্ষিক প্রতিবেদন মাউশিতে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় প্রকল্পের অনুমোদন বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিষয়ক সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa