https://asia24.tv


নির্বাচন কমিশন। ছবি: -ফাইল ছবি
সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনসমূহ মোট ৭টি ধাপে সম্পন্ন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ধারাবাহিক রূপরেখা অনুযায়ী প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ নভেম্বর আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
কমিশনার মো. সানাউল্লাহ জানান, স্থানীয় সরকারভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সার্বিক প্রাক-প্রস্তুতি নিয়ে কমিশনে একটি সমন্বিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। প্রশাসনিক ও সুরক্ষাজনিত সুবিধা নিশ্চিত করতে এসব ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৭টি পৃথক ধাপে ভোট গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা প্রাথমিক খসড়া সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপের ভোট আগামী ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর আয়োজনের সিদ্ধান্ত ধরা হয়েছে। পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং ২৭ মে সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণের খসড়া সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের মোট ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদকে অন্তর্ভুক্ত করে ভোটের এই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে পুরো সময়সূচিই কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে দেশের সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা শুরু করা হবে।
একই দিনে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়কালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, সরকারের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিস্তৃত কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্তরের নির্বাচনও সম্পন্ন করা হবে।
বিদ্যমান নির্বাচনী আইন ও কাঠামোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আবদুর রহমানেল মাছউদ স্পষ্ট করে বলেন, নির্ধারিত তফসিল বা সময়সীমার পূর্বে যদি বিদ্যমান আইনি কাঠামোতে নতুন কোনো সংশোধন না আসে, তবে বর্তমান আইনি বিধিমালার ওপর ভিত্তি করেই সব ধাপে সুষ্ঠু ভোট পরিচালনা নিশ্চিত করবে কমিশন। এতে নির্বাচন আয়োজনে কোনো ধরনের আইনি বা পদ্ধতিগত জটিলতা তৈরি হবে না।


