https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম ধাপে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন। পর্যায়ক্রমে আরও দেশের নাগরিকদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা একসঙ্গে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, পর্যটন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসার আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে পৃথকভাবে ভিসা আবেদন বা দূতাবাসে যাওয়ার ঝামেলা থাকবে না।
পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে প্যাকেজ কেনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ই-ভিসা ইস্যু করা হবে। এরপর ভিসা, ভ্রমণ বিমা এবং প্রয়োজনীয় ভ্রমণসংক্রান্ত নথি আবেদনকারীর ই-মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে রিজার্ভাল ও আলমোসাফের—এই দুটি ট্রাভেল এজেন্সিকে এ সেবা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন এই ই-ভিসার মেয়াদ হবে তিন মাস এবং এটি একবার প্রবেশের (সিঙ্গেল এন্ট্রি) সুযোগ দেবে। ভ্রমণকারীরা সর্বনিম্ন দুই দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন।
প্যাকেজের আওতায় যাওয়া-আসার নিশ্চিত বিমান টিকিট, পর্যটন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত কমপক্ষে চার তারকা মানের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসার আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
প্রথম দুই দিনের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্কের ন্যূনতম প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার সৌদি রিয়াল। এরপর প্রতিটি অতিরিক্ত দিনের জন্য এক হাজার রিয়াল করে যোগ হবে। এছাড়া ভিসা ইস্যু ও ভ্রমণ বিমাসহ মোট ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০২ দশমিক ২১ সৌদি রিয়াল। অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের টিকিটও প্যাকেজে যুক্ত করা যাবে।
যদিও এ প্যাকেজে ওমরাহ-সংক্রান্ত কোনো সেবা কিংবা মক্কা ও মদিনায় থাকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না, তবে ই-ভিসাধারীরা সৌদি আরবে প্রবেশের পর দেশটির যেকোনো স্থানে, এমনকি মক্কা ও মদিনাও ভ্রমণ করতে পারবেন।
বিমান বা হোটেল বুকিং অনিবার্য কারণে বাতিল হলে অর্থ ফেরত কিংবা বুকিং পরিবর্তনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।


