ঢাকা
২৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বছরে ১৫ হাজারের বেশি আত্মহত্যা: দণ্ডবিধি সংস্কারের দাবি বিশেষজ্ঞদের অক্টোবরে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে চায় ব্রাজিল গুম-খুনের শিকার পরিবারকে সহায়তায় নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ এবার কানাডাকে ‘অঙ্গরাজ্য’ বললেন ট্রাম্প জনশক্তি রপ্তানিতে বড় ধস: ৬ মাসে বিদেশে কর্মী পাঠানো কমেছে ৩৯ শতাংশ আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির আগস্টের ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার: প্রবৃদ্ধি ২৫ শতাংশ পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা হলেন অতিরিক্ত আইজিপি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত: উচ্ছ্বসিত কর্মী ও ব্যবসায়ীরা সার সংকটে ক্ষুব্ধতা, গুদাম ভেঙে ১০ টন ইউরিয়া নিয়ে গেলেন কৃষকরা
Advertise with us

গুম-খুনের শিকার পরিবারকে সহায়তায় নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬   ১ বার পঠিত
গুম-খুনের শিকার পরিবারকে সহায়তায় নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

ছবি: -ফাইল ছবি

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সুরক্ষায় নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত এই অধিদপ্তরের প্রধান কাজ হবে ভুক্তভোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা দেওয়া, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের পরিবারের জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনরেকত্রীকরণ নিশ্চিত করা।

রবিবার (২৩ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অংশ হিসেবে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করা হয়েছে। একইভাবে বিগত দিনগুলোতে দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুম, হত্যা ও রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ কারাভোগ করে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হওয়া ব্যক্তিদের ত্যাগেরও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ ও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় সভায় তিনটি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়—মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে অধিদপ্তর গঠন, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের আইন প্রণয়ন এবং সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’ সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নতুন এই বিষয় যুক্ত করা।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ২০০৯ সালের পর মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক মানবাধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা থেকেই গুম ও নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই উদ্যোগ। সভায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa