https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
এ সময় শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন আরাফাতসহ একাধিক বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপ-পরিচালক থাকাকালীন সময় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় তার ভূমিকা ছিল। তার জন্যই আহতরা চিকিৎসা নিতে পেরেছেন। এমনকি করোনাকালীন সময় তার অগ্রনী ভূমিকার কারনে এ অঞ্চলের মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হননি। কিন্তু যারা মব সৃষ্টি করে ডা. মনিরুজ্জামানকে যোগদানে বাধা দিচ্ছেন তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদদাতা ছিলেন বলে দাবি করেন বক্তারা। কোন ধরনের মব করে ডা. মনিরুজ্জামানের যোগদান ঠেকানো যাবে না বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন তারা।
মানববন্ধনে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক এবং মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারন জনগন অংশগ্রহন করেন। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকরাও ছিলেন মানববন্ধনে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বড় পদে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরা কর্মরত রয়েছেন। এমনকি ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদদাতা এবং জুলাই আগস্টে গুলি চালানোর নির্দেশদাতাসহ যারা ১৭ বছর শোষন করেছে তাদেরকেও বিভিন্ন জায়গায় পদায়ন করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের কথা না বলে এ ধরনের মব সৃষ্টি করে একটি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে চেয়ার থেকে তুলে দেয়া কতটুকু যুক্তি সঙ্গত তা ভেবে দেখা উচিত। যারা এ ধরনের কাজ করছেন তাদের অন্য কোন স্বার্থ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে ড্যাব দুইভাগে বিভক্ত। একভাগের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান ড্যাবের সভাপতি সভাপতি ডা. প্রফেসর হারুন অল রশিদ এবং অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন সমাজকল্যান মন্ত্রী ডা. এ.জেড.এম. জাহিদ হোসেন। ডা. মনিরুজ্জামান হচ্ছেন ডা. জাহিদ হোসেন গ্রুপের অনুসারী।


