https://asia24.tv


ছবি: -ফাইল ছবি
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল বাড়তে থাকায় অনেকেরই পারিবারিক বাজেটে চাপ তৈরি হচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সবসময় নতুন প্রযুক্তি বা দামি যন্ত্রপাতি কেনার প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই বিদ্যুতের অপচয় কমানোর পাশাপাশি মাসিক বিলও কমানো সম্ভব।
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ফ্যান, লাইট, টেলিভিশনসহ অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস পুরোপুরি চার্জ হওয়ার পর চার্জারও প্লাগ থেকে খুলে রাখা ভালো।
গরমের সময় এসির তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে না রেখে ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রিতে রাখলে বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব। পাশাপাশি ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখা এবং নিয়মিত এসির ফিল্টার পরিষ্কার করাও জরুরি।
ফ্রিজের দরজা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় খোলা রাখা উচিত নয়। ঘন ঘন দরজা খোলা এবং গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখলে কম্প্রেসারকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যেতে পারে।
দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে অপ্রয়োজনে লাইট জ্বালানোর প্রয়োজন নেই। একইভাবে টিভি, কম্পিউটার, সেট-টপ বক্স বা গেমিং কনসোল দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করলে শুধু রিমোটে বন্ধ না করে মূল সুইচও বন্ধ রাখা উচিত।
পুরোনো বাতির পরিবর্তে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করলে তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। অল্প কাপড়ের জন্য বারবার ওয়াশিং মেশিন বা ইস্ত্রি ব্যবহার না করে একসঙ্গে কাজগুলো করলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায়।
এসি, ফ্রিজ ও পানির পাম্পসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়মিত পরিষ্কার ও সার্ভিসিং করাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যন্ত্রপাতি ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করলে সেগুলো বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে।
তাই বিদ্যুৎ বিল কমাতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট সচেতনতা ও সঠিক ব্যবহারের অভ্যাসই বিদ্যুতের অপচয় কমিয়ে মাস শেষে বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


