https://asia24.tv


ফাইল ছবি ছবি: -প্রতিনিধি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ এবং একটি বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের মধ্যে আকাশে বিপজ্জনকভাবে দূরত্ব কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনাটির কারণ ও নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে হোয়াইট হাউস থেকে অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে মেরিন ওয়ান। একই সময়ে ওয়াশিংটনের রিগান ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে এনভয় এয়ার পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি এমব্রেয়ার ই-১৭০ যাত্রীবাহী বিমানও উড্ডয়ন করে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, যোগাযোগে অস্পষ্টতা ও সমন্বয়ের বিলম্বের কারণে আকাশে দুই উড়োজাহাজের আনুভূমিক দূরত্ব এক মাইলেরও নিচে নেমে আসে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, আকাশে চলমান দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে অন্তত ১ দশমিক ৫ মাইল আনুভূমিক অথবা ৫০০ ফুট উল্লম্ব নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পুরো ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো সময়ই সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন না। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই বলেন, বিশ্বের অন্যতম দক্ষ বৈমানিকরা মেরিন ওয়ান পরিচালনা করেন এবং ঘটনাটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে এফএএ জানিয়েছে, দুই উড়োজাহাজ নিরাপদ দূরত্বের সীমার মধ্যে চলে এলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল পুরো সময় উভয় বিমানের পাইলটদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিল। ফলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনের একই বিমানবন্দর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বিমান ও সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর ওই আকাশসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়। সর্বশেষ ঘটনায় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: এপি ও রয়টার্স।


