https://asia24.tv


বিদ্যুৎ বিল ছবি: -সংগৃহীত
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ঘিরে ওঠা নানা অভিযোগকে কেন্দ্র করে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবর্তন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত বিল নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ালে আইনি ব্যবস্থার কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে সেই অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো ওই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, এ পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত যতগুলো অভিযোগ পাওয়া গেছে, তার সবকটিই সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে।
প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও পরিবর্তিত বিজ্ঞপ্তিতে কেবল বিভ্রান্তির প্রতিবাদ জানানো হয় এবং আইনগত ব্যবস্থার সতর্কবার্তাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, কারও বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত মনে হলে তিনি প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিতে পারেন। প্রতিটা অভিযোগ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই ছাড়া বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু গ্রাহকের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ এই স্পষ্টীকরণ দিল।
বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা জানান, বিল নিয়ে এমন জটিলতার পেছনে বেশ কিছু মূল কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—মিটারে সরজমিনে না দেখে আনুমানিক (অ্যাস্টিমেটেড) রিডিং বসানো, সিস্টেমে মিটারের তথ্য আপডেট করতে দেরি হওয়া, বিলিং চক্রের অসমন্বয় এবং তীব্র গ্রীষ্মে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়া।
কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন, কোনো অসংগতি থাকলে সামাজিক মাধ্যমে দাবি না তুলে প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করাই শ্রেয়। মূলত এই বিতর্কের মুখেই প্রথমে আইনি ব্যবস্থার হুমকি দিয়ে পরবর্তীতে সুর নরম করে সংশোধিত বার্তা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ।


