ঢাকা
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
লংমার্চের আড়ালে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসররা: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালির নতুন রুট নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান মসজিদ থেকে উদ্ধার হলো আড়াইহাজার থানার লুট হওয়া অস্ত্র জামালপুরে বেশি দামে সার বিক্রি, বিক্রেতাকে জরিমানা ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামের দুই হাজার মসজিদে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান হামে সারা দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু ব্রিকস সম্মেলনে ‘আগ্রাসন বিরোধী’ যৌথ ঘোষণায় সর্বসম্মত ঐকমত্য ৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে শোক ও শ্রদ্ধা শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া ২ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
Advertise with us

ব্রিকস সম্মেলনে ‘আগ্রাসন বিরোধী’ যৌথ ঘোষণায় সর্বসম্মত ঐকমত্য

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১ বার পঠিত
ব্রিকস সম্মেলনে ‘আগ্রাসন বিরোধী’ যৌথ ঘোষণায় সর্বসম্মত ঐকমত্য

ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে!  ছবি: -সংগৃহীত

নয়া দিল্লিতে শুরু হওয়া মর্যাদাপূর্ণ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শতভাগ ঐকমত্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। চূড়ান্ত নথিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করে সব ধরনের ‘আগ্রাসন ও সামরিক তৎপরতার’ স্পষ্ট নিন্দা জানানো হবে। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান তীব্র রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পটভূমিতে ব্রিকস জোটের এমন দৃঢ় অবস্থানকে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের কার্যকর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে যৌথ ঘোষণার ভাষা নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়। সূচি অনুযায়ী, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় বহুল প্রতীক্ষিত ‘ব্রিকস নয়া দিল্লি ঘোষণা’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার কথা রয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এই দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি রবিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এবারের শীর্ষ সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার জটিল পরিস্থিতি ছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু স্থান পাচ্ছে। সংঘাত কাটিয়ে টেকসই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘সংলাপ ও বিচক্ষণ কূটনীতিই একমাত্র পথ’—ঘোষণাপত্রে এই বার্তাটিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ব্রিকসের প্রতিটি সদস্য দেশকে একটি একক ও সর্বসম্মত যৌথ ঘোষণায় রাজি করাতে পারাকে আয়োজক দেশ ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এবং জোটের ‘শেরপাদের’ এক বিরাট কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। কারণ এর আগে মে মাসে নয়া দিল্লিতে আয়োজিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে পশ্চিম এশিয়া সংকট নিয়ে ভারতের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল, যার ফলে সে সময় যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে এবার উভয় দেশকে এক ছাতার নিচে আনতে সফল হয়েছে ভারতের কৌশলগত মধ্যস্থতা।

সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া দিল্লির ঐতিহ্যবাহী ভারত মণ্ডপমে বিশ্বনেতারা একত্র হয়েছেন। সাত বছর পর প্রথম ভারত সফরে এসে শনিবার সকালে সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্মেলনের ফাঁকে শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সারেন নরেন্দ্র মোদী। ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেজেশকিয়ানের এটিই প্রথম ভারত সফর। দুই সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। ভারত বরাবরই সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পাশাপাশি বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে আসছে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa