https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেলের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন ঋণ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা তৈরি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফের ঋণের শর্তের সঙ্গে নতুন বেতনকাঠামোর কোনো বিরোধ নেই। তিনি বলেন, বেতনকাঠামো নির্ধারণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে এবং প্রজ্ঞাপন জারিতেও বেশি সময় নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর একবারে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি চাকুরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে আইএমএফ সরাসরি কোনো ধরনের আপত্তি জানায়নি। তবে অতিরিক্ত এই ব্যয়ের অর্থের সংস্থান কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংস্থাটি এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ তৈরিতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, এই কমিটির সুপারিশ প্রণয়নের কাজ এখন একেবারেই চূড়ান্ত ধাপে।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে আইএমএফের সঙ্গে চলমান ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির পাঁচ কিস্তি ছাড় পাওয়ার পর বর্তমানে অতিরিক্ত ৪০০ কোটি ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। জুলাই মাসে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় বৈঠক করে রাজস্ব বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও পে স্কেলের অর্থ জোগানের উৎস জানতে চায়। আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হতে পারে।


