https://asia24.tv


সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: -সংগৃহীত
আগামী ৩০ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোসহ চার দফা দাবি তাদের।
সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো অগ্রগতি না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখা হবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি জানান, ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচি চলাকালেও সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমির ইজারা এবং লাইসেন্স ফি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে ফিলিং স্টেশন পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানানো হয়েছে।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—গ্যাসের দাম বাড়লে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত আদায় বন্ধ এবং সওজের ইজারা ও সরকারি লাইসেন্স ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, ‘আমরা অতিরিক্ত মুনাফার জন্য নয়, বরং টিকে থাকার জন্য কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবি করছি।’ তিনি হিসাব তুলে ধরে বলেন, সর্বশেষ জুন মাসে বিদ্যুতের দাম ১৯ শতাংশ বাড়ায় প্রতি ঘনমিটারে পরিচালন ব্যয় আরও ৮৬ পয়সা বেড়েছে।
নেতারা অভিযোগ করেন, দাবি আদায়ে বিইআরসি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এতে সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্তসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


