ঢাকা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ইউপি নির্বাচনের তারিখ বিষয়ে কিছু জানে না সরকার শহীদ দুই সেনাসদস্যের স্বজনদের চেক প্রদান ও প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতা টঙ্গীতে পুলিশকে রেললাইনের পাথর ছুড়ে আসামি ছিনতাই, আটক ৫ ইউক্রেনের ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা : মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন বরিস জনসন সৌদিতে হুথি হামলায় আহত ১৩, জরুরি সতর্কতা জারি সৌদির তিন শহরে হুথির হামলা: আহত ১৩, পাল্টা বিমান হামলা সৌদি জোটের হরমুজে কমলো জাহাজ চলাচল, ঊর্ধ্বমুখী তেলের বাজার লালমাটিয়া থেকে সাবেক এমপি আজিজুল আটক মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি প্রথমবারের মতো স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি এবং অনুমোদনহীন ওয়েবসাইট: কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ঢাবির
Advertise with us

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি প্রথমবারের মতো স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৩ বার পঠিত
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি প্রথমবারের মতো স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

মহাকাশে সামরিক স্যাটেলাইট।  ছবি: -সংগৃহীত

মহাকাশে শত্রুপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে এবং প্রয়োজনে প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম সামরিক অস্ত্র মোতায়েনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন স্পেস ফোর্সের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স২৪ এ চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্পেস ফোর্সের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পৃথিবীর কক্ষপথে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ‘স্পেস কন্ট্রোল’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি মোতায়েন রয়েছে। এসব অস্ত্র মার্কিন ও মিত্র সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষার পাশাপাশি শত্রুর যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েনকৃত অস্ত্রের সুনির্দিষ্ট ধরন, ধরণ বা মোট সংখ্যা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স্পেস ফোর্স ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই সক্ষমতার মধ্যে কাইনেটিক ও নন-কাইনেটিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—উভয় ধরনের সামরিক অপারেশনে সমানভাবে কার্যকর।

মূলত চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান মহাকাশভিত্তিক সামরিক সক্ষমতাকে নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য প্রধান হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। স্পেস ফোর্সের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, চীন তার সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কৌশলগত ‘কাউন্টারস্পেস’ সক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি করছে। অন্যদিকে রাশিয়া মহাকাশকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের এক নির্ধারক যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করে নিজেদের অবস্থান জোরদার করছে।

মহাকাশে সামরিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই নতুন কিছু নয়। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘স্পুটনিক’ মহাকাশে পাঠানোর পর থেকেই মূলত পরাশক্তিগুলোর মধ্যে মহাকাশকেন্দ্রিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়। যদিও ১৯৬৭ সালের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ‘আউটার স্পেস ট্রিকটি’ অনুযায়ী কক্ষপথে পারমাণবিক বা গণবিধ্বংসী মহামারণাস্ত্র মোতায়েন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তবুও স্যাটেলাইট ধ্বংসকারী বা যোগাযোগব্যবস্থা অকার্যকর করার মতো আধুনিক প্রযুক্তি উন্নয়ন থেমে থাকেনি।

বর্তমানে স্যাটেলাইটের ওপর সামরিক যোগাযোগ, আধুনিক নেভিগেশন ও নজরদারির নির্ভরতা বহুগুণ বাড়ায় মহাকাশে সামরিক উপস্থিতির ঝুঁকিও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দীর্ঘদিনের গোপনীয়তা বজায় রাখার পর কক্ষপথে মার্কিন অস্ত্রের উপস্থিতি প্রকাশ্যে স্বীকার করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত এটিই স্পষ্ট বার্তা দিল যে, মহাকাশ এখন আনুষ্ঠানিক সামরিক সংঘাতের অন্যতম এক সক্রিয় ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa