https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
শ্রীলঙ্কায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়ি চা-বাগান অধ্যুষিত মধ্যাঞ্চলে প্রবল বর্ষণের পর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি।
শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি জানান, মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসে দুটি বাড়ি চাপা পড়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুজন মারা গেছেন।
তিনি জানান, বন্যা ও ভূমিধসে ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষকে।
দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক পেরিয়ে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে উদ্ধার করছেন তারা।
দেশটির নুওয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লাসহ মধ্যাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাগুলো বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে।
এর আগে ২০২৫ সালের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে একই অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ৬৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই দুর্যোগে প্রায় ৪১০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতিও হয়। তখনও দেশজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।


