বেপরোয়া গতির দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে  যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে ৩ তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নতুনহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন— যশোরের বেজপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জয় (২২), একই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে শাহরিয়ার হোসেন রোহান (১৮) এবং মণ্ডলগাতী গ্রামের শামীম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন (১৭)।

আহতরা হলেন— মণ্ডলগাতী গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনের ছেলে রাকিব হাসান রিফাত। তাদের যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের ২ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে আরিফুল ইসলাম জয় ও শাহরিয়ার হোসেন রোহান বেনাপোল থেকে যশোরে ফিরছিলেন। এ সময় যশোর থেকে বেনাপোলগামী সিয়াম হোসেন, ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাতের মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেলের চালক জয় ও সিয়াম এবং জয়ের সঙ্গে থাকা আরোহী রোহান নিহত হন। আহত হন বেনাপোলগামী মোটরসাইকেলের আরোহী ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাত। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্থানীয় নয়ন হোসেন বলেন, দুটি মোটরসাইকেলই দ্রুতগতিতে চলছিল। নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেগুলোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এত রাতে উঠতি বয়সী যুবকেরা কোথায় যান, কী করেন— সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

স্থানীয় রেশমা খাতুন বলেন, রাত হলেই যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে উঠতি বয়সী যুবকদের আনাগোনা বাড়ে। অধিকাংশ মোটরসাইকেলেই ৩ জন করে থাকেন এবং বেপরোয়া গতিতে চলাচল করেন। এসব দলে শুধু তরুণ নয়, বেশ কয়েকজন তরুণীও রয়েছেন বলে জানান তিনি।

নাভারণ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এসআই মো. কেরামত আলী বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে বেপরোয়া গতির দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নতুনহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— যশোরের বেজপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জয় (২২), একই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে শাহরিয়ার হোসেন রোহান (১৮) এবং মণ্ডলগাতী গ্রামের শামীম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন (১৭)।

আহতরা হলেন— মণ্ডলগাতী গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনের ছেলে রাকিব হাসান রিফাত। তাদের যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের ২ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে আরিফুল ইসলাম জয় ও শাহরিয়ার হোসেন রোহান বেনাপোল থেকে যশোরে ফিরছিলেন। এ সময় যশোর থেকে বেনাপোলগামী সিয়াম হোসেন, ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাতের মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেলের চালক জয় ও সিয়াম এবং জয়ের সঙ্গে থাকা আরোহী রোহান নিহত হন। আহত হন বেনাপোলগামী মোটরসাইকেলের আরোহী ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাত। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্থানীয় নয়ন হোসেন বলেন, দুটি মোটরসাইকেলই দ্রুতগতিতে চলছিল। নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেগুলোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এত রাতে উঠতি বয়সী যুবকেরা কোথায় যান, কী করেন— সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

স্থানীয় রেশমা খাতুন বলেন, রাত হলেই যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে উঠতি বয়সী যুবকদের আনাগোনা বাড়ে। অধিকাংশ মোটরসাইকেলেই ৩ জন করে থাকেন এবং বেপরোয়া গতিতে চলাচল করেন। এসব দলে শুধু তরুণ নয়, বেশ কয়েকজন তরুণীও রয়েছেন বলে জানান তিনি।

নাভারণ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এসআই মো. কেরামত আলী বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।