এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ডলারের দাম টাকাপ্রতি ১ টাকা পর্যন্ত কমেছে, যার ইতিবাচক প্রভাবে আমদানিকারকদের ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির খরচও হ্রাস পেয়েছে। ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ থাকায় আগামী সপ্তাহে এলসি নিষ্পত্তির ব্যয় আরও কমতে পারে, যা স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি ফেরাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) বেশ কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক ১২২.৭০ টাকা দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনে। অথচ গত সপ্তাহেই এই দর ছিল ১২৩.৬০ থেকে ১২৩.৭০ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর হাতে বর্তমানে প্রচুর ডলার গচ্ছিত রয়েছে। ফলে তাদের ‘নিট ওপেন পজিশন’ (এনওপি) দীর্ঘ মেয়াদে নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছে। হাত থাকা অতিরিক্ত ডলার দ্রুত বিক্রি করতে ব্যাংকগুলো এখন আর চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনছে না; বরং ব্যবসায়ী গ্রুপগুলোকে কম খরচে এলসি নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিচ্ছে।
এদিকে দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.০৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২.২৬০ বিলিয়ন ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ব্যাংকগুলোতে তারল্য বৃদ্ধি ও রিজার্ভের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে, যা সার্বিক অর্থনীতিকে নতুন করে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে।





মন্তব্য করুন