ঢাকা
২৮ জুলাই ২০২৬
Advertise with us

মিয়ানমারে দুই বাংলাদেশিকে অমানুষিক নির্যাতন

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬   ০ বার পঠিত
মিয়ানমারে দুই বাংলাদেশিকে অমানুষিক নির্যাতন

অপহরণের শিকার দুই বাংলাদেশি।  ছবি: -সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে অপহৃত দুই বাংলাদেশি জেলে ১৪ দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে বাড়ি ফিরেছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের মিয়ানমারে নিয়ে একটি নির্জন বাড়িতে আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। প্রাথমিক দর-কষাকষির পর ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে সন্ত্রাসীরা তাদের হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় সীমান্তের শূন্যরেখায় ফেলে রেখে যায়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া এলাকার আব্দুর রহমান (৪২) এবং ফরিদুল আলম (৫৪)।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ জুলাই নাফ নদীতে মাছ ধরে ফেরার পথে পালংখালী খাল ও উলুবনিয়া সীমান্তে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাঁদের নৌকায় হামলা চালিয়ে জিম্মি করে। পরে তাঁদের হাত-মুখ বেঁধে ও নৌকা-জাল ছিনিয়ে নিয়ে মিয়ানমারের ভেতরে গহীন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি বন্ধ ঘরে আটকে রেখে তাঁদের ওপর খাবারহীন অবস্থায় পালাক্রমে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। অপহৃত আব্দুর রহমানের পরিবার জানায়, অপহরণকারীরা প্রথমে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ দর-কষাকষি শেষে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি নির্ধারিত স্থানে বোরকা পরা এক নারীর মাধ্যমে নগদ ৫ লাখ টাকা পৌঁছে দেওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় নাফ নদীর শূন্যরেখায় বিজিবির (৬৪ বিজিবি) সদস্যরা ভাসমান অবস্থায় হাত বাঁধা দুই জেলেকে উদ্ধার করে পুলিশে হস্তান্তর করেন। পুলিশ প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ভোরে স্বজনদের জিম্মায় দিলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সীমান্ত অপরাধ ও অপহরণ রোধে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা নাফ নদীর জেলেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিজিবি ও প্রশাসনের স্থায়ী পদক্ষেপ চেয়েছে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa