https://asia24.tv


হরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশি জাহাজ। ছবি: -সংগৃহীত
চলমান মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হওয়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রকাশিত ‘ইলেকট্রিসিটি মিড-ইয়ার আপডেট ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
মূলত আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতাই বাংলাদেশকে এই তীব্র বিপাকে ফেলেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এশিয়ায় এলএনজির দর চড়েছে লাফিয়ে। ২০২২-২৩ মেয়াদের চরম মন্দার পর এবার গ্যাসের দর আবার সর্বোচ্চ চূড়ায় গিয়ে ঠেকেছে।
যার প্রত্যক্ষ ধাক্কা এসে পড়েছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে। চড়া মূল্যে গ্যাস কিনতে বাধ্য হওয়ায় দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। চাপ সামলাতে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নানা পথ বেছে নেওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো হয়েছে, যা শিল্প খাত ও জনজীবনে স্থবিরতা তৈরি করেছে।
আইইএ তাদের মূল্যায়নে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, চলতি বছর জুড়েই দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা তীব্র চাপের মধ্যে কাটবে। সংস্থাটি আরও জানায়, ডেটা সেন্টার, ইভি গাড়ি ও শিল্প কারখানার প্রসারে বৈশ্বিক বিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও এশিয়া ও ইউরোপে গ্যাসের অস্থিতিশীল দামে তৈরি হয়েছে নতুন অচলাবস্থা। চাপ কমাতে বাংলাদেশসহ অনেক দেশই বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে ফের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঝুঁকছে।


