সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিতে জবাবদিহি বাড়াতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জিপিএমএস বাস্তবায়নে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সভায় কমিটির সদস্য জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবেরা অংশ নেন।
সভায় জিপিএমএস বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত জিপিএমএসের সামগ্রিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় সরকারি দপ্তরগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ২০ ধারা এবং সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪-এর ২৫৫ নম্বর নির্দেশনার আলোকে সরকারি অফিসগুলোর কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে জিপিএমএস চালু করা হয়েছে।
বর্তমানে ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৮৬টি দপ্তর ও সংস্থার পাশাপাশি বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মাঠপ্রশাসনে এ পদ্ধতির কার্যক্রম চলছে।





মন্তব্য করুন