https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনিবার দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে এবং বাকি পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
শনিবার সকালে কলকাতার পার্ক সার্কাসের পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সকাল ১০টা নাগাদ মরদেহটি ভোমরা স্থলসীমান্তে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে সকাল ১০টার পর পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে বাকি পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোল সীমান্তের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়।
নিহত অপর পাঁচ বাংলাদেশি হলেন—কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, শ্যালক মো. আকরাম আলী এবং সাভারের বাসিন্দা আহামেদ বাবু। এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে অগ্নিকাণ্ডে নিহত অপর বাংলাদেশি রেবতী সরকারের সৎকার সম্পন্ন করা হয়। ফলে নিহত সাতজনের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার রাতে নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জন প্রাণ হারান। বাকি দুজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার তিন দিন পার হয়ে গেলেও অভিযুক্ত হোটেল মালিককে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এবং আত্মগোপনে থাকায় বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্র ধরে নিউমার্কেট, ধর্মতলা ও মির্জা গালিব স্ট্রিটসহ সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় জোরদার অভিযান চালাচ্ছিন ফায়ার সার্ভিস ও পৌরসভা। ইতোমধ্যেই পর্যাপ্ত অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৫০টি আবাসিক হোটেল ও লজ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


