https://asia24.tv


বাংলাদেশ সচিবালয়। ছবি: -ফাইল ছবি
দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ছয় মাসের মাথায় এসে অন্তর্বর্তী কিংবা দলীয় সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল এবং নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কাজের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের পাশাপাশি সম্প্রতি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ওয়াটার রিসোর্সেস সহ বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর দপ্তরের শীর্ষ কর্তাদের নানামুখী বিতর্কিত মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও প্রশাসনিক গতি বাড়াতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন, তথ্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রদবদলের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৮ জন মন্ত্রীর প্রটোকল প্রত্যাহার এবং সাম্প্রতিক ফ্যাক্ট-চেক বিতর্কের পর রদবদলের এই জল্পনা চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন পরীক্ষা বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও কাণ্ডকে কেন্দ্র করে শিক্ষা ও পানিসম্পদ দপ্তরে নজরদারি বাড়িয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। আলোচনায় রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বের পুনর্বিন্যাস এবং একই মন্ত্রীর অধীনে থাকা সড়ক, রেল ও নৌ—এই তিন হেভিওয়েট দপ্তরকে আলাদা করে কাজের গতি বাড়ানোর পরিকল্পনাও।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দক্ষতা বাড়াতে মন্ত্রিসভার বহর বাড়ানো হতে পারে। এতে এমপিদের মধ্য থেকে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটা ও জোট শরিকদের প্রতিনিধিরা স্থান পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে—কাজের এই মূল্যায়ন একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং শেষ পর্যন্ত পুরো সিদ্ধান্তটি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের ওপর।


