https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং উৎপাদনমুখী খাতকে চাঙ্গা করতে তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এই ঘোষণায় তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের চাহিদা মেটানো এবং ব্যবসার প্রসার নিশ্চিত করতেই এই বড় অংকের ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। যার আওতায় ৫৫ শতাংশ শস্য-ফসল খাতে, ২ শতাংশ সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে, ২০ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে (পোল্ট্রি, ডেইরি, গরু মোটাতাজাকরণ ইত্যাদি) এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ কৃষি উৎপাদন এবং পল্লী অঞ্চলে উৎপাদন ও সেবা খাতসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঋণ বিতরণ করা হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ জুন এসিডি সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম এবং ৬ জুলাই এসিডি সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। যার আওতায় মৎস্য, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে কর্মকাণ্ডে ঋণ বিতরণ চলমান।
তিনি আরও বলেন, দেশের মৎস্য, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে ২ হাজার কোটি টাকার ‘কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ চলমান। এ তহবিলের আওতায় উদ্যোক্তারা ৭ শতাংশ সুদে ৭ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন। গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত উদ্যোগসমূহকে এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ তহবিলের পরিমাণ ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।


