https://asia24.tv


জাতীয় সংসদ। ছবি: -সংগৃহীত
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বীকৃত পদের বড় একটি অংশই বর্তমানে ফাঁকা পড়ে রয়েছে। অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের বিপরীতে বর্তমানে সাকুল্যে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক সেবা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ফলে সরকারি চিকিৎসাসেবা খাতে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চিকিৎসক ও জনসংখ্যার সুষম অনুপাত নিশ্চিত করতে দেশে এখনো প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই আশঙ্কাজনক তথ্য সংসদে তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টা ২ মিনিটে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে জানান, সারা দেশে নিবন্ধিত মোট চিকিৎসকের সংখ্যার সঙ্গে সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যার ব্যবধান অনেক। বিশেষ করে গ্রাম ও প্রান্তিক অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে এই সংকটের প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। তবে এই ঘাটতি মেটাতে ও সরকারি হাসপাতালের শূন্য পদ দ্রুত পূরণে সরকার বিশেষ বিসিএসসহ নিয়মিত নিয়োগ কার্যক্রম জোরদার করেছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শূন্য পদগুলো সচল করতে ৪৪তম ও ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএসের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহকারী সার্জন নিয়োগ দিয়ে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এসব নিয়োগ সম্পন্ন হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থা অনেকটাই কেটে যাবে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, কেবল বিদ্যমান শূন্য পদ পূরণই নয়, বরং দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মানসম্মত ও জনবান্ধব চিকিৎসা পৌঁছাতে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন নতুন পদ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


