ঢাকা
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আট বিভাগে তৈরি হচ্ছে ১৫ তলার ক্যান্সার ও হৃদরোগ হাসপাতাল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারি হাসপাতালে চরম চিকিৎসক সংকট, ১১ হাজার পদ খালি শেখ হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বিধি সংশোধনের উদ্যোগ উপজেলাভিত্তিক হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: একই দিনে সম্পন্ন হবে সব ইউপির ভোট প্রাথমিকে ৩৫ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও মিড ডে মিল চালুর ঘোষণা রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ: জাপানি দূতের কাছে প্রধানমন্ত্রী প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ইতালি: প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর উচ্চশিক্ষার প্রসারে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি ইতালি ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত: অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার
Advertise with us

শেখ হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বিধি সংশোধনের উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ০ বার পঠিত
শেখ হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বিধি সংশোধনের উদ্যোগ

শেখ হাসিনা।  ছবি: -ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির আদেশ কীভাবে কার্যকর হবে, সে সংক্রান্ত অস্পষ্টতা দূর করতে ‘রুলস অব প্রসিডিউর’ বা কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রসিকিউশন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আইনি এই পদক্ষেপের কথা জানান।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, প্রস্তাবিত আইনি সংস্কার কার্যকর হলে ‘রেট্রোস্পেক্টিভ ইফেক্ট’ বা ভূতাপেক্ষ প্রয়োগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ঘোষিত রায়গুলোর ক্ষেত্রেও বাজেয়াপ্তির প্রক্রিয়া সমানভাবে বলবৎ করা যাবে। এতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরির পথ বন্ধ হবে।

বর্তমান ট্রাইব্যুনাল আইনে অপরাধীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, জরিমানার অর্থ আদায় এবং সংগৃহীত অর্থ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নীতিগত নির্দেশ রয়েছে। তবে এই বাজেয়াপ্তকরণ কোন সরকারি সংস্থা বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হবে, তার স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা বিদ্যমান বিধিতে অনুপস্থিত।

এই প্রশাসনিক ও আইনি ফাঁকটির কথা সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল-২-এর একটি মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক চলাকালে আদালতের নজরে আনেন চিফ প্রসিকিউটর। আগামীতে ঘোষিত হতে যাওয়া রায়গুলোতে সম্পদ বাজেয়াপ্তি ও অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বেঁধে দেওয়ার ওপর জোর দেন এই জ্যেষ্ঠ আইন কর্মকর্তা।

সংকট সমাধানের উপায় হিসেবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দুটি সুনির্দিষ্ট বিকল্প ভাবা হচ্ছে। প্রথমত, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা কিংবা প্রচলিত ‘পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট’-এর আদলে জরিমানা আদায় ও সম্পদ বিক্রির বিধানটি রায়ে যুক্ত করা। রায়ে প্রয়োজনীয় অনুচ্ছেদ উল্লেখ থাকলে মাঠপর্যায়ে সরকারের জন্য আদেশ বাস্তবায়ন অনেক সহজ হবে।

দ্বিতীয়ত, ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব কার্যপ্রণালী বিধিতে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করে প্রয়োগের বিশদ নিয়মমালা অন্তর্ভুক্ত করা। এতে রায় বাস্তবায়নকারী সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে একটি স্পষ্ট আইনি ফ্রেমওয়ার্ক থাকবে, যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়াতে সাহায্য করবে।

আইন ও কার্যপ্রণালী বিধির বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি শুধরে নিতে ট্রাইব্যুনালের মাননীয় বিচারকদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ আইনি সেমিনার আয়োজনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক আবেদনের অপেক্ষায় না থেকে ট্রাইব্যুনাল চাইলে স্বতঃপ্রণোদিতভাবেও এই সময়োপযোগী সংশোধনী এনে রায় বাস্তবায়নের পথ সুগম করতে পারে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa