ঢাকা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফাটল-রাজস্ব ফাঁকি অপচয় ও দুর্নীতির অর্থনীতি ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রোধে দুদকের আকস্মিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ ডিসেম্বরেই আংশিক চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতীয় গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া অনভিপ্রেত: তথ্য উপদেষ্টা সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা অর্ধেকে নামাল সরকার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ উদ্যোগ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিলামে পণ্য বিক্রি করে ৬০০ কোটি টাকার মাইলফলক ছুঁল চট্টগ্রাম কাস্টমস লক্ষ্মীপুরে হোটেল দখলচেষ্টা: বিএনপি নেতাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
Advertise with us

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৫ বার পঠিত
মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: -প্রতিনিধি

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্থায়ী সেনা ও সামরিক স্থাপনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর বিষয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে মার্কিনিরা। ওই অঞ্চলে তারা স্থায়ী ঘাঁটি ও গোয়েন্দা কেন্দ্র স্থাপন করে। এর লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ ও অন্যান্য দেশে হামলা করা। মার্কিন সেনারা তখন ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরান, ইয়েমেন এবং লিবিয়াতে যুদ্ধ করেছে।

তবে ওই সময় মধ্যপ্রাচ্যের এসব স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য হামলা হয়নি। কিন্তু ইরান যুদ্ধ এগুলোর দুর্বলতা প্রকাশ করে দিয়েছে। মার্কিনিদের এসব অবকাঠামো বারবার হামলার শিকার হয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ সেনাও প্রাণ হারিয়েছেন।

ইরাকে যখন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায় তখন মধ্যপাচ্যে তারা ২ লাখ ৫০ হাজার সেনাকে জড়ো করেছিল। ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে এ সংখ্যা কমার মধ্যে ছিল। তবে এটি কখনো এক লাখের নিচে যায়নি।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা, দুটি রণতরী এবং অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

যেসব কর্মকর্তা এ নিয়ে নিরব আলোচনা করছেন তাদের একটি সূত্র সিএনএনকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে সেনার সংখ্যা এমন জায়গায় নিয়ে আসার কথা ভাবছেন তারা। ট্রাম্প হলেন সেই ব্যক্তি যিনি তার প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরানোর পক্ষে কথা বলেছিলেন।

এরসঙ্গে যেসব সেনা মধ্যপ্রাচ্যে থেকে যাবে তাদের সুরক্ষার বিষয়টিও নতুন করে ভাবা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কিছু অবকাঠামো মাটির নিচে স্থাপনের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। যেন মিসাইল ও ড্রোনের আঘাতে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে তীব্র যুদ্ধ চলার সময় সিআইএ-এর যেসব কর্মকর্তা ছিলেন তাদের অনেকে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের আবারও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

এদিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের পর সেনার সংখ্যা কমিয়ে আনার চেষ্টা অনেকদিনই করা হচ্ছিল। এখন ইরান যুদ্ধের মাধ্যমে সেটি সফল করার আরেকটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa