https://asia24.tv


দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীরা। ছবি: -প্রতিনিধি
ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তরুণদের দল ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আন্দোলনকারীদের কাছে শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছে ভারত সরকার।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানী নয়াদিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারের পক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির পক্ষে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা অংশ নেন। এর আগে আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ সোনম ওয়াংচুক টানা ২৬ দিন অনশন পালনের পর তা ভঙ্গ করলে সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথ উন্মুক্ত হয়।
সংসদের চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশনেও প্রভাব ফেলা এ বিক্ষোভকে ২০১৪ সালের পর মোদি সরকারের জন্য তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে আসা সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ধরা হচ্ছে। এতে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শিবিরও।
বৈঠক শেষে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সাফ জানিয়ে দেন, শিক্ষামন্ত্রীর বিদায় ছাড়া কোনো সমঝোতা হবে না। অন্যদিকে জে পি নাড্ডা আলোচনাকে সৌহার্দ্যপূর্ণ অভিহিত করে জানান, আন্দোলনকারীদের বাকি প্রধান দুটি দাবি—শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুলিশি মামলা প্রত্যাহার এবং প্রশ্ন ফাঁসের ধাক্কায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান—এসব নিয়ে শনিবার বিকেলে পুনর্দফা বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।


