ঢাকা
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ভোলায় সংবর্ধিত তথ্যমন্ত্রী পার্থ, অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণের প্রত্যয় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পর বাংলাদেশি জাহাজের অগ্রাধিকার চেয়ে ইরানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ১৩ টাকা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়াল সরকার জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুমাত্রিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিকর ব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারির তাগিদ আইনমন্ত্রীর রিজেন্টের সাহেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল ৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জটিলতা কমাতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আরও সহজ করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া ২২৭ ভারতীয়র ৫১ জন নিহত প্রতারণা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নাকচ
Advertise with us

সরকারি খাতে অর্থের অপচয় নিয়ে আপস করা হবে না : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ২১ বার পঠিত
সরকারি খাতে অর্থের অপচয় নিয়ে আপস করা হবে না : অর্থমন্ত্রী

ছবি: -প্রতিনিধি

জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সুসংহত করতে এবং বাজেটের অর্থের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে কঠোর বার্তা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সরকারি খাতের যেকোনো ধরনের অনাবশ্যক ব্যয় বা অর্থের অপচয় আর বরদাস্ত করা হবে না। রাষ্ট্রীয় তহবিলের প্রতিটি অর্থের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী) উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাণিজ্যমন্ত্রী থাকার সময়, আজ থেকে প্রায় ২৪ বছর আগে ঢাকায় প্রথম একটি আইটি ইনকিউবেটর করেছিলাম। তবে পরবর্তী সময়ে সরকারগুলোর ধারাবাহিক উদ্যোগ ও তদারকির অভাবে তা থেকে পুরোপুরি সুবিধা নেওয়া যায়নি। চুয়েটেও আইটি ইনকিউবেটরে একটি বড় অবকাঠামোগত বিনিয়োগ হয়েছে। কিন্তু এই বিনিয়োগ থেকে আমরা আদৌ কোনো ভালো ফলাফল পাচ্ছি কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চার শর্তের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী হিসেবে কোনো প্রজেক্ট পাস করার আগে আমি চারটি বিষয় নিশ্চিত করি। প্রথমত সেখানে অর্থের সঠিক মূল্য আছে কিনা; দ্বিতীয়ত এই বিনিয়োগ থেকে কী রিটার্ন বা প্রতিদান আসছে; তৃতীয়ত এটি কর্মসংস্থান তৈরি করছে কিনা এবং চতুর্থত পরিবেশগত দিক রক্ষা করা হচ্ছে কিনা। এই চার শর্ত পূরণ না করলে আমার কাছে কোনো প্রজেক্ট আনবেন না, আমি ফেরত পাঠিয়ে দেব। কারণ এগুলো বাংলাদেশের সাধারণ করদাতাদের টাকা, কোনো অবস্থাতেই এই টাকার অপচয় মেনে নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি- এই তিনটির নিয়ন্ত্রণ থাকলে সেখানে কাজ হয় না। এটা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরের বিষয়, তাই এটি চুয়েটের নিজেরই পরিচালনা করা উচিত এবং এখান থেকে কী আউটপুট আসবে, তার পরিকল্পনাও চুয়েটকেই করতে হবে। ঢাকায় ফিরে আমি আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির সঙ্গে কথা বলব এবং চুয়েট ভিসিকেও ঢাকায় এসে বৈঠক করে এই জটিলতার স্থায়ী সমাধান করার পরামর্শ দিচ্ছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির জন্য চুয়েট উপাচার্যের বেশ কিছু ভালো ধারণা রয়েছে এবং তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। আশা করি বিজনেস-অ্যাজ-ইউজুয়াল ধারার বাইরে গিয়ে অল্প সময়ে চুয়েটকে তারা আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa