https://asia24.tv


থ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, ফাইল ছবি ছবি: -সংগৃহীত
অনুমোদিত নতুন বেতন কাঠামোর প্রভাবে বাজারে নগদ অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই কাজ করছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি বিষয়ক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশে বেশ কিছু দিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিদ্যমান। সাম্প্রতিক সময়ে তা কিছুটা নিম্নমুখী হলেও নতুন স্কেলে কর্মচারীদের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে কেনাকাটা বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতিতে সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা জানান, এতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে—এমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিশেষ শিশুদের অতিরিক্ত যত্ন ও শিক্ষার প্রয়োজনকে স্বীকৃতি দিয়ে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের বাজেট সক্ষমতা বাড়লে এই অনুদানের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা হবে।
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আরও জানান, সরকারি চাকরিতে পদক্রমভিত্তিক বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে প্রথম ১০টি গ্রেডে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১০টি (১১ থেকে ২০তম) গ্রেডে ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে গ্রেড-১ ও গ্রেড-২০-এর বিদ্যমান বিশাল বৈষম্য অনেকটাই হ্রাস পাবে।
উল্লেখ্য, সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত এই পে-স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরে তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সকল প্রকার ভাতাদি কার্যকর করার রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই বেতন বিন্যাসে সর্বনিম্ন ২০ নম্বর গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় উন্নীত হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপে কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।


