https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অবৈধ লাভের উদ্দেশ্যে বাসাবাড়িতে সার মজুদের দায়ে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুইজনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে গোপন আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪২ বস্তায় মোট ২ হাজার ১৫০ কেজি কেমিক্যাল সার।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের এক যৌথ ঝটিকা অভিযানে কৃত্রিম সংকট তৈরির এই অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন শুক্রবার সকালে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা খবরের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে অভিযুক্ত দুই ব্যবসায়ী মো. বেলাল মিঞা ও মো. মানিক উদ্দিনের বসতবাড়ির বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। সার লুকিয়ে রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল গোয়ালঘর, খড়ের গাদা ও ধানের গোলা। পুলিশ সেখান থেকে ১ হাজার ৫০০ কেজি ইউরিয়া ও ৬৫০ কেজি ডিএপি সার হস্তগত করে।
অবৈধভাবে কৃষকের নিত্যপ্রয়োজনীয় এই কৃষি উপকরণ মজুদ রাখার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়। যৌথ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক।
উপজেলা সহকারী পুলিশ সুপার জানান, স্থানীয় কৃষকরা যাতে নির্ধারিত মূলে নির্বিঘ্নে সার পান, তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের এই কড়া নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সার নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বা কৃত্রিম অভাব তৈরির পাঁয়তারা চালানো হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।


