ঢাকা
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
১৫ দিনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর বুড়িগঙ্গার প্লাস্টিক বর্জ্য ১৫ দিনে সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় সংবর্ধিত তথ্যমন্ত্রী পার্থ, অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণের প্রত্যয় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পর বাংলাদেশি জাহাজের অগ্রাধিকার চেয়ে ইরানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ১৩ টাকা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়াল সরকার জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুমাত্রিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিকর ব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারির তাগিদ আইনমন্ত্রীর রিজেন্টের সাহেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল ৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জটিলতা কমাতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আরও সহজ করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
Advertise with us

ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬   ৫৪ বার পঠিত
ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ছবি: -সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-১ গোলে। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালের শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে তারা আগামী রোববার।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল শারীরিক ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয় মিনিটেই লিয়ান্দ্রো পারেদেস ধাক্কা দেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই একে অপরকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোলের ভালো সুযোগ পায়নি।

১৯ মিনিটে প্রথম সেভ করেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। মরগান রজার্সের একটি ক্রস বক্সে ঠিকভাবে ধরতে পারেননি তিনি। তবে বিপদ হতে দেননি। ৩৫ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মেসিকে ফাউল করার জন্য তাকে কার্ড দেখান রেফারি। এর কিছুক্ষণ পরই হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজও। জেড স্পেন্সকে আটকাতে গিয়ে জার্সি টেনে ধরেন তিনি।

প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। তবে কার্ডের হিসাবে দুই দলই সমান ছিল। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার প্রথমার্ধে গোল পায়নি আর্জেন্টিনা। এর আগে প্রতিটি ম্যাচেই প্রথমার্ধে গোল করেছিল তারা, শুধু মিশর ম্যাচ বাদে।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ধরন পাল্টায়। ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের ক্রস থেকে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোও হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহামকে ফাউল করে। এতে দুই সেন্টারব্যাকই লাল কার্ডের শঙ্কায় পড়ে যান।

খেলা যখন শেষের দিকে, তখন একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। মেসির ক্রস থেকে নিকো গনসালেসের হেড ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। এক মিনিট পরই আরেকটি হেড রুখে দেন তিনি। তবে ৮৬ মিনিটে আর ঠেকাতে পারেননি। ৭ মিনিটের পাগলামির শুরু সেখানেই। শর্ট কর্নার থেকে বল পেয়ে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেস। এর আগে তিনি অন্তত তিনবার চেষ্টা করেছিলেন গোলের জন্য।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যোগ করা সময়ে। রেফারি ৯ মিনিট বাড়তি সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ এক ক্রসে হেড করেন লাউতারো মার্তিনেজ। বল জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনালে যাওয়া।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa