ঢাকা
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি  উল্টো পথে চলায় বিমানমন্ত্রীর গাড়িতে ট্রাফিক পুলিশি মামলা সিন্ডিকেট ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে-বাণিজ্যমন্ত্রী সংসদ ও রাজনীতিতে নারীর কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধিত্ব বাড়েনি : শামা ওবায়েদ তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী গণমাধ্যম স্বাধীন, তবে কলমে যেন কারও ক্ষতি না হয়: তথ্যমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ২০২৭ সালের দুই পর্বে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাগত উন্নতি ঘটছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
Advertise with us

তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১ বার পঠিত
তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: -সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নানাবিধ সংকটের কারণে গত তিন বছরে দেশের চার শতাধিক পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এ চিত্র তুলে ধরেন। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

স্পিকারের মাধ্যমে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বিগত তিন অর্থবছরে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র ২৮২টি এবং নিটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের সংগঠন বিকেএমইএ-র ১২৩টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যান্য ছোট কারখানা সহ এই সংখ্যা চার শতাধিক ছাড়িয়েছে। এসব কারখানার পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা সংকলনের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পোশাক কারখানা বন্ধের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, করোনা মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা, আমেরিকা-ইরান সংঘাত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অস্থিরতা, অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে সৃষ্টি হওয়া তীব্র তারল্য সংকট এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদন অন্যতম কারণ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতারা মনিটরিং সুবিধার অভাবে ছোট ও মাঝারি কারখানায় সরাসরি কাজের আদেশ দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় খাতটি বড় ধাক্কা খেয়েছে।

তবে এই সংকটের মাঝেও বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অবস্থান সুদৃঢ় রাখতে সরকারের বিভিন্ন কার্যকর উদ্দীপনা প্যাকেজ ও সহায়তার কথা সংসদে তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রপ্তানিমুখী পোশাক খাতে প্রচলিত ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে ১.৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত ০.৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি নিট, ওভেন ও সোয়েটার শিল্প খাতের জন্য ৩.০০ শতাংশ অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা এবং সার্বিক তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ ০.৩০ শতাংশ নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

সংসদে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে তদারকি জোরদার করেছে। জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অনিয়ম ও অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।

অতিরিক্ত মূল্য আদায়, কৃত্রিম সংকট তৈরি ও মূল্যতালিকা টাঙানো না হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন কাজ করছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার তদারকি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa