ঢাকা
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
১৫ দিনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর বুড়িগঙ্গার প্লাস্টিক বর্জ্য ১৫ দিনে সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় সংবর্ধিত তথ্যমন্ত্রী পার্থ, অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণের প্রত্যয় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পর বাংলাদেশি জাহাজের অগ্রাধিকার চেয়ে ইরানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ১৩ টাকা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়াল সরকার জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুমাত্রিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিকর ব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারির তাগিদ আইনমন্ত্রীর রিজেন্টের সাহেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল ৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জটিলতা কমাতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আরও সহজ করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
Advertise with us

চাওয়া-পাওয়া কিছুই নেই, মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায় : আবু সাঈদের মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬   ৮৪ বার পঠিত
চাওয়া-পাওয়া কিছুই নেই, মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায় : আবু সাঈদের মা

ছবি : সংগৃহীত  ছবি: -সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বলেছেন, এই দেশের মানুষ, এই রংপুরের মানুষ, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষ আবু সাঈদকে যেন ভুলে না যায়। আর আমার ছেলের বিচারটা সরকার যেন করে। আমাদের চাওয়া-পাওয়া কিছুই নেই। সরকার যেন আমার ছেলের বিচারটা করে।

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পর শহীদ আবু সাঈদের মা এক সাক্ষাৎকারে বুধবার (১৫ জুলাই) এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ বলে গালি দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ফুসে উঠে ছাত্রছাত্রীরা। সেই দাবানল ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। এরইমধ্যে ১৫ জুলাই ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে পরদিন ১৬ জুলাই দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে। সেদিন সারা দেশে পুলিশ ও ছাত্রলীগ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মারমুখী অবস্থান নিয়েছিল।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে রংপুরের বেরোবি ক্যাম্পাসের ১ নম্বর গেটের সামনের সড়কে। প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ শুরু করে। একপর্যায়ে সবাই যখন ছত্রভঙ্গ, তখন রাস্তার মাঝে পুলিশের মুখোমুখি দুহাত প্রসারিত করে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে যান বেরোবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তার হাতে ছিল কেবল একটি লাঠি। মাত্র ১৫ মিটার দূরে রাস্তার উল্টো পাশ থেকে পুলিশ শটগান দিয়ে সরাসরি তার বুক লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একের পর এক গুলি লাগার পরও সাঈদ বুক টান করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আন্দোলনের এই সমন্বয়ক।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa