https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি জানান, মশার লার্ভার উৎস সরাসরি বিনাশের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশকের কার্যকারিতা বাড়াতে বিশেষ গবেষণা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটি’র জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং গাজীপুরের মতো বড় ও ঘনবসতিপূর্ণ সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে মশা নিয়ন্ত্রণে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। এই সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে লার্ভা জন্ম নেওয়ার সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাপানসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর কারিগরি সহায়তায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে কীটনাশকের কার্যকারিতা যাচাই ও গবেষণা জোরদার করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, বিগত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। সরকারের সরবরাহ করা তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ জন রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী নাগরিকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু সরকারি বা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহস্থালি সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। বাসাবাড়ির বারান্দা, ছাদ বা পরিত্যক্ত পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নাগরিকদের নিয়মিত খেয়াল রাখতে হবে।
জরুরি এ সভায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিবগণ এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ১১টি সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ ভার্চুয়ালি সভায় অংশ নেন।


