ঢাকা
২১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: প্রেস সচিব শিক্ষাকে সনদনির্ভর না করে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার আহ্বান মাহ্‌দী আমিনের রবিবার ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন ৪ মুখ, রাতে বঙ্গভবনে শপথ কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ ট্রাম্পের, জবাবে ১০ মিসাইল ছুড়ল উত্তর কোরিয়া বাজারে বেড়েছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ প্রত্যাহার রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষামূলকভাবে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স
Advertise with us

নতুন পে-স্কেল মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর বাস্তবায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬   ২ বার পঠিত
নতুন পে-স্কেল মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর বাস্তবায়ন

ছবি: -ফাইল ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ধারাবাহিক গতিতে এগিয়ে চলছে। তবে এই পে-স্কেল কতটি ধাপে এবং ঠিক কবে থেকে কার্যকর রূপ পাবে, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এমনকি অর্থ সংস্থানের জন্য প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার ঋণ গ্রহণ করবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি পে-স্কেলের সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরেন। উপদেষ্টা জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের তিন ধাপের প্রক্রিয়ার মধ্যে ইতোমধ্যে দুটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম ধাপে পে সার্ভিস কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী পে কমিটির সুপারিশ সচিব কমিটি পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া বিচার বিভাগের জন্য গঠিত কমিটির প্রথম বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংবেদনশীলতা বজায় রেখে ওই কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেবে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় ধাপের কাজ সমাপ্ত হবে।

তৃতীয় ও শেষ ধাপে মন্ত্রিসভা এসব সুপারিশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলেই কোন বিষয়টি কতটুকু ও কীভাবে কার্যকর করা হবে তার চূড়ান্ত রূপরেখা জানা যাবে।

প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থের জোগান সম্পর্কে উপদেষ্টা জানান, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষেত্রবিশেষে ঋণ নেওয়া হবে। ঋণের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বাজেট ঘাটতি, কর-জিডিপি অনুপাত এবং সামাজিক নিরাপত্তায় ব্যয়ের ভারসাম্য রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি সংগৃহীত ঋণ জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গুণপ্রভাব তৈরি করতে পারে, তবে তা কোনো সমস্যা নয়।

চাকরিজীবীদের বেতনের সমতা ও দুর্নীতির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের পদমর্যাদা পুরোপুরি এক নয়, তাই কাজের প্রকৃতি বিবেচনা করেই পে-স্কেল নির্ধারণের নীতি নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বেতন বাড়ানোই দুর্নীতি বন্ধের একমাত্র গ্যারান্টি—এমন দাবি সরকার করছে না; বরং একটি কার্যকর ও যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, দেশে বর্তমানে মূল বেতনভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ, যা পেনশনভোগীদের মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখে পৌঁছাবে। মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে এই বড় জনগোষ্ঠীর দিকটি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন বেতন কাঠামো একবারে পুরোপুরি চালু করা হবে নাকি ধাপে ধাপে আসবে, তা মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত পর্যালোচনার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa