ঢাকা
২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
১৬৫ সিসির বেশি বাইক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল, নতুন নীতি আদেশ জারি ঢাকায় ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ: বাধা আন্তর্জাতিক সূচি ও অর্থায়ন আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ‘৫০০ টাকা মজুরি কোনো বিলাসিতা নয়’, আজ থেকে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি দেশে সারের সংকট নেই: তথ্য উপদেষ্টা নির্ভরতা নয়, চাই পারস্পরিক সহযোগিতা: ইইউ রাষ্ট্রদূত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে শিগগিরই নীতিমালা: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশের সর্বাত্মক সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস ইউএনডিপির ওমান উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে হেয়ারকাট বাতিল: চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকরা
Advertise with us

১৬৫ সিসির বেশি বাইক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল, নতুন নীতি আদেশ জারি

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬   ০ বার পঠিত
১৬৫ সিসির বেশি বাইক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল, নতুন নীতি আদেশ জারি

ছবি: -ফাইল ছবি

ব্যবসায়-বাণিজ্য সহজীকরণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯’ জারি করেছে সরকার। খসড়া নীতিমালায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির আলোচনা থাকলেও চূড়ান্ত নীতি আদেশে সে বিধান রাখা হয়নি। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী ১৬৫ সিসির বেশি সক্ষমতার মোটরবাইক আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে।

গেজেট অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকায় ১৬৫ সিসির ঊর্ধ্বে সব ধরনের মোটরসাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবে পুলিশ বিভাগের জন্য এই সীমা প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি নিবন্ধিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ৫০০ সিসি পর্যন্ত বাইক তৈরির যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগ পাবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা, ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নতুন এই আদেশ জারি করা হয়েছে। এতে ঋণপত্র (এলসি) না খুলে সরাসরি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ও মূল্যের বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে, যার জন্য অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে ব্যাংকে নিবন্ধিত হতে হবে।

নতুন নীতিতে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে কাঁচামাল আমদানিনির্ভর মূল্য সংযোজনের শর্ত কঠোর করা হয়েছে। শিশুপোশাক রপ্তানিতে ন্যূনতম মূল্য সংযোজনের হার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। কটন ও ম্যান-মেইড ফাইবারের সব ধরনের নিট ও ওভেন পোশাকেও এই হার করা হয়েছে ৩০ শতাংশ। এছাড়া অন্তর্বাস ও সিনথেটিক পোশাকে ৪০ শতাংশ, চামড়াজাত ও নন-লেদার জুতা এবং জাহাজ রপ্তানিতে ৩০ শতাংশ এবং কাঠের আসবাবপত্র রপ্তানিতে ৫০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালায় আমদানিকৃত পণ্যের মান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মানদণ্ড ও কারিগরি বিধিমালার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), সিইপিএ এবং ইপিএ-র মতো আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তির সুযোগ নিয়ে বৈদেশিক শুল্ক সুবিধা ও সরবরাহ খাত সম্প্রসারণের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে এতে।

আমদানি প্রক্রিয়ার জটিলতা দূর করে পণ্যের উৎস দেশের তথ্য নিশ্চিতকরণে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন দীর্ঘমেয়াদি নীতি কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প প্রসারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa