https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) কৌশল ও করণীয় নির্ধারণে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সভায় বক্তারা বলেন, তালিকা প্রণয়নে আবেগ বা অনুমাননির্ভর তথ্যের পরিবর্তে প্রামাণ্য দলিল, সরকারি-সামরিক নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ও গবেষণালব্ধ উপাত্তের বহুমাত্রিক যাচাই প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতার বিবরণ দ্রুত সংরক্ষণের তাগিদ দেওয়া হয়। গ্রাম থেকে শুরু করে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা, পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা, প্রশাসন ও গবেষকদের সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়। স্থানীয় সাক্ষ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক নথির সাথে মিলিয়ে যাচাই-প্রক্রিয়া সংরক্ষণের আহ্বান জানান বিশিষ্টজনেরা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্তি ও তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সঠিক তালিকা উপহার দিতে না পারলে আমরা ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যাব। প্রামাণ্য ইতিহাস নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।”
আলোচনায় অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক সিদ্দিকর রহমান খান, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, বীর প্রতীক হাবিবুল আলম, প্রধান সম্পাদক আবদুল হাই সিদ্দিক, বীর প্রতীক মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান, বীর উত্তম মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান, সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, সাদেক আহমেদ খান, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং নইম জাহাঙ্গীরসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


