https://asia24.tv


শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভরত জনতা। : রয়টার্স ছবি: -সংগৃহীত
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে দিল্লিতে নজিরবিহীন জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের বিচার দাবিতে চলমান এই আন্দোলনের প্রভাবে পর পর তিন দিন ভারতের সংসদের উভয় কক্ষের অধিবেশন মুলতবি হয়ে গেছে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, গত এক দশকে ১৫৪টি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলেও কোনো অপরাধীর শাস্তি হয়নি। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীরা সংসদে কালো পোশাক পরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং স্পিকার ও চেয়ারম্যান বাধ্য হয়ে সভা মুলতবি করেন। অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিজেপি নেতারা এই আন্দোলনে রাজনৈতিক স্বার্থ ও বিদেশি চক্রান্তের অভিযোগ এনেছেন।
যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করতে বিদ্যুৎ ও খাদ্য-পানি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে পুলিশ। তবে সাধারণ মানুষ ও খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রচুর খাদ্যের সংস্থান হয়। আন্দোলন পরিচালনা করা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে সারাদেশ থেকে মানুষ সংহতি জানাচ্ছেন। সিজেপি প্রতিনিধিরা সরকারি বাসভবনে বৈঠকে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে যন্তর মন্তরে বা নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার শর্ত দিয়েছেন।
এদিকে দিল্লি হাইকোর্ট শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়ে পুলিশকে ভর্ৎসনা করেছেন। সরকার আলোচনার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছে আন্দোলনকারী ও বিরোধী দলগুলো, যার ফলে রাজনৈতিক এই অচলাবস্থা আরও গভীর রূপ নিয়েছে।


