https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
অনুমোদিত নকশা বা প্ল্যান লঙ্ঘন করে ইচ্ছেমতো ভবন নির্মাণের দিন শেষ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানিয়েছে, এখন থেকে নিয়মের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ভবন নির্মাণের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। ঢাকা মহানগরীর অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপ্রবণ নগরায়ণ রোধে এ ধরনের অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও তাৎক্ষণিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে কতৃর্পক্ষ।
রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভবনের অনুমোদিত নকশায় সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) ও সোক ওয়েল অন্তর্ভুক্ত থাকলেও অনেক ডেভেলপার কোম্পানি তা নির্মাণ করেনি। আগামীতে যেন কেউ অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, ‘রিহ্যাব এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সচেতন হতে হবে, আইন ভঙ্গ করে যেন কোনো ভবন বা আবাসন গড়ে না ওঠে।’
জাকারিয়া তাহের বলেন, রাজউক ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও নকশা অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনছে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিধিমালা সংশোধন করে রাজধানীর বাইরের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে আনা হবে।
মতবিনিময় সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে ডেভেলপারদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘অনেক মানুষ বছরের পর বছর আগে টাকা পরিশোধ করেও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট বুঝে পাচ্ছেন না। আবার অনেকে কোনো কারণে চুক্তি অনুযায়ী কিস্তি চালিয়ে যেতে না পারায় তাদের জমা টাকা তিন-চার বছর ধরে ফেরত পাচ্ছেন না। তাদের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’
সভায় রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আইন ও বিধি মেনে ভবন নির্মাণ এবং আবাসন উন্নয়নের বিষয়ে তাদের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। এ সময় তারা ঢাকা মহানগর বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ও ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


