https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ও বিমানবাহিনীর ‘নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’–এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই পদোন্নতি পর্ষদে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন। রবিবার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। পর্ষদ সূচনার পূর্বে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ‘এডমিরাল’ র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং অভিনন্দন জানান। ব্যাজ পরিধান শেষে নৌপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে তাঁর দিকনির্দেশনা কামনা করেন।
পর্ষদের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের। একই সাথে তিনি ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদসহ গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অবদান রাখা প্রত্যেকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ধরনের ব্যক্তিগত পছন্দ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সম্পূর্ণ পেশাদারিত্ব ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌ ও বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে ‘এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন’ (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন এবং এর কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এছাড়া তিনি এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার পরিদর্শনকালে এডিএসআই-এর ডিজিটাল ডিসপ্লের সাহায্যে শত্রুবিমান প্রতিরোধ এবং ড্রোন (ইউএভি)-এর লাইভ ফিডের মাধ্যমে ট্রুপস ইনসারশন প্রত্যক্ষ করেন।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর ‘অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স’ (এআরডিসি) পরিদর্শন করে নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত ইউএভি ও কোয়াডকপ্টারের উড্ডয়ন প্রত্যক্ষ করেন। নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এমন আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুত করা প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


