https://asia24.tv


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: -সংগৃহীত
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁর প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের এই সিদ্ধান্ত জানান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মনোনয়ন ঘোষণার পরই নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন জমার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়। দলীয় ঐতিহ্য ও সংসদীয় নীতি বজায় রেখে ইতোমধ্যে মহাসচিব পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন ফখরুল।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় রাখা হয়। অন্য প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ফখরুলের দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একপ্রকার সুনিশ্চিত। ভোট গ্রহণ হলে তা হবে ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছরে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম ঘটনা।
রাজনৈতিক জীবনে ২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও ২০১৬ সালে মহাসচিবের দায়িত্ব নেন মির্জা ফখরুল। বিগত সরকারের সময়ে খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব ও তারেক রহমানের প্রবাসবাসের পর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরে রাখেন তিনি। বহুবার কারাবরণ করলেও তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ও সর্বজনগ্রাহ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে জয়ী হয়ে তিনি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।


