https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
ফল আমাদনির ক্ষেত্রে থাকছেনা মার্জিন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা। ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে ফল আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণ করা যাবে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও বাজারে ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার শর্ত সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, জনসাধারণের পাশাপাশি শিশু, রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়ের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় ফল একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান।
তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-৪১-এর মাধ্যমে কিছু বিলাসজাতীয় পণ্য ও অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত আমদানি বিকল্প পণ্যের এলসি খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় ফল।
তবে বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও লেনদেনে কাঙ্খিত স্থিতিশীলতা থাকায় ফল আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিনের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ কারণে দেশের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ, আমদানি সহজীকরণ এবং ফলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনার ফলে ফল আমদানিকারকদের এলসি খোলার সময় আগের মতো পুরো আমদানি মূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখতে হবে না। ফলে আমদানিকারকদের ওপর তাৎক্ষণিক অর্থের চাপ কমবে এবং ফল আমদানির প্রক্রিয়াও সহজ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, এতে বাজারে প্রয়োজনীয় ফলের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমদানিকারকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এর মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে ফলের দামও সহনীয় পর্যায়ে রাখার সুযোগ তৈরি হবে।


