https://asia24.tv


গ্রিনল্যান্ড। ছবি: -সংগৃহীত
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার নতুন মার্কিন হুমকির মধ্যেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বিতর্কিত এক এলাকায় তেলকূপ খননের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্পঘনিষ্ঠ একটি মার্কিন তেল প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে গ্রিনল্যান্ড সরকার।
আর্কটিক মহাসাগরের সংবেদনশীল জেমসন ল্যান্ড এলাকায় টেক্সাসভিত্তিক ‘গ্রিনল্যান্ড এনার্জি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান অননুমোদিতভাবে ভারী সরঞ্জাম খালাস করেছে। সরকারের স্পষ্ট অবস্থান—এ ধরনের লজিস্টিক কার্যক্রম বা যন্ত্রপাতি খালাসের কোনো বৈধ অনুমোদন দেওয়া হয়নি। অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ট্রুথ সোশ্যালে গ্রিনল্যান্ডের ওপর বিশাল ছায়া ফেলার একটি বিতর্কিত পোস্ট দিয়ে পুনরায় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তোলেন।
পরিবেশগত বিপর্যয় এড়াতে ২০২১ সাল থেকেই গ্রিনল্যান্ড সরকার নতুন করে তেল অনুসন্ধানের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রেখেছে। তা সত্ত্বেও টেক্সাসের এই প্রতিষ্ঠানটি এক লাখ কোটি ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল পাওয়ার আশায় প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে জোড়া কূপ খননের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ল্যারি সোয়েটস এবং সাবেক জনপ্রিয় ডানপন্থী উপস্থাপক ডক্টর ফিল এই তেল কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তবে ল্যারি সোয়েটসের দাবি, এর পেছনে কোনো ভূরাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।
সরকারের নির্দেশে খালাসকৃত কনটেইনারগুলো অপসারণ না করা হলেও পুরো বিষয়টি খনিজ সম্পদ কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত পর্যালোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে কানাডা থেকে আরও যন্ত্রপাতি নিয়ে জাহাজ আসার কথা থাকলেও সরকারের অনড় অবস্থানের মুখে প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে।


