https://asia24.tv


ভারত থেকে উদ্ধারের পর দেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: -সংগৃহীত
২০১৫ সালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করে র্যাবের টিএফআই সেলে আটকে রাখার পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সরাসরি নির্দেশ ও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এই তথ্য জানান। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা এবং পরবর্তীতে ভারতে পাচারের সঙ্গে সাবেক সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তি ছাড়াও র্যাব ও পুলিশের বেশ কয়েকজন উঁচুতলার কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়েছে। ইতোমধ্যে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা গুমের শিকার হওয়া বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রাথমিক মৌখিক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন; খুব শিগগিরই তাঁর আনুষ্ঠানিক লিখিত জবানবন্দি নেওয়া হবে। এছাড়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা ও আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিনকে টিএফআই সেলে আটকে রাখা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও তথ্য উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ ৬২ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঐ বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলং থেকে উদ্ধারের কথা জানায় স্থানীয় পুলিশ। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে ফিরে নিজের ওপর হওয়া গুম ও নির্যাতনের বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেন তিনি।


