ঢাকা
০৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিনকে গুম করা হয়: চিফ প্রসিকিউটর সাগরে এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্পঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের তেল অনুসন্ধানের প্রস্তুতি গ্রিনল্যান্ডে, ডেনমার্কের কঠোর হুঁশিয়ারি জীবনের সেরা পথপ্রদর্শককে হারালেন মেসি চট্টগ্রাম বাদে সব বোর্ডের এইচএসসির ফল নভেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চট্টগ্রাম সফর কাল, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্কের রূপরেখা, শীতেই শুরু হচ্ছে কাজ বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী পাক গোয়েন্দার ‘হানিট্র্যাপে’ সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস, ভারতীয় পাইলট গ্রেপ্তার জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি ও অটোরিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Advertise with us

সাগরে এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা

জেলা প্রতিনিধি
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬   ১ বার পঠিত
সাগরে এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা

জেলের জালে ধরা ইলিশ।  ছবি: -ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলে একবারেই ৪৬ মণ ইলিশ ধরে চমক দেখিয়েছেন এক ট্রলারের জেলেরা। নিলামে ধরা পড়া এসব মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। দীর্ঘদিন পর একবারে এত বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় উপকূলের হতাশ জেলেদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন এলাকায় ‘এফবি জুনাইদ’ নামের একটি ট্রলারে এই বিরল সাফল্য মেলে। ট্রলারটির মালিক আলমগীর মাঝি জানান, এক জালেই প্রায় ২ হাজার ২০০ পিস বড় সাইজের ইলিশ আটকা পড়ে। শুক্রবার দুপুরে মাছ নিয়ে মহিপুর মৎস্যবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় মনোয়ারা ফিশ নামের আড়তে খোলা ডাকের মাধ্যমে এগুলো বিক্রি করা হয়।

আড়ত সূত্রে জানা গেছে, ৪৬ মণ ইলিশের মধ্যে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ মাছ বিক্রি হয় প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে, যার মোট মূল্য দাঁড়ায় ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা হিসেবে মোট ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে এক চালানেই মিলল ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রায় পাঁচ বছর পর এত বড় চালান পেয়ে পেছনের লোকসান কাটার স্বস্তি দেখছেন ট্রলার মালিক আলমগীর মাঝি।

বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে সুসংবাদ হিসেবে দেখলেও সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, এ সাফল্য জেলেদের আশাবাদী করলেও এটি সামুদ্রিক ইলিশের সামগ্রিক প্রাচুর্যের একক সূচক নয়। ইলিশের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রজনন মৌসুমে মাছ না ধরাসহ নিয়ম মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা।

বিষয় :
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa