https://asia24.tv


চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: -সংগৃহীত
দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনে বাংলাদেশ ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া এই ভঙ্গুরতা কাটিয়ে উঠে রাষ্ট্র পুনর্গঠন করাই এখন সরকারের প্রধান কাজ।
সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে সফলতা দেখিয়েছে। একইভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনেও সরকার দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার সঙ্গে এসডিজির মূলনীতির বড় কোনো অমিল নেই। সরকারের মূল নীতিই হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।
দেশ পুনর্গঠনে এসডিজির গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো গ্রহণ করা হয়েছে। এলডিসি উত্তরণ ও এসডিজি অর্জনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’— এই তিন স্তরের কৌশল বাস্তবায়ন করছে।
সামাজিক সুরক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাচ্ছে। এ ছাড়া ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের গুরুদের সম্মানি ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এসডিজি স্থানীয়করণের পরীক্ষামূলক মডেল হিসেবে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর গ্রামকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এসব ‘এসডিজি ভিলেজ’-এ সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পর্যটনসহ বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হবে। এটি সফল হলে পরবর্তী সময়ে সারা দেশের অন্যান্য গ্রামেও এই মডেল সম্প্রসারিত হবে।


