https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দলটির এক প্রতিনিধি দল এ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, গণভোটের রায় ও সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার বাস্তবায়ন করা হলে এই নির্বাচন প্রকৃত গণতন্ত্রের রূপ পেত। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একদিকে নাগরিকদের ভোটাধিকার দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে বিধিনিষেধ আরোপ করে তা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, তারা রাষ্ট্র ও জনগণের সাথে দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করেছে, যা জোট জাতির সামনে তুলে ধরতে চায়।
সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রার্থী দেওয়া হলো— এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, জয়-পরাজয় এখানে মুখ্য বিষয় নয়; মূল উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক চর্চাকে বাঁচিয়ে রাখা। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সর্বোচ্চ অভিভাবকের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অর্থহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেই জোটের পক্ষ থেকে অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে রবিবার সকালে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে ১১ দলের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতি পদে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। দেশের শীর্ষ এই সাংবিধানিক পদের নির্বাচনে বিরোধী জোটের অংশগ্রহণ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


