https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
সম্পত্তি দান করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার বজায় রাখতে পারবেন। এমন বিধান রেখে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর সংশোধনী খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বর্তমান আইনে কেউ সম্পত্তি দান করলে সম্পত্তির মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার সম্পূর্ণভাবে গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, মালিকানা হস্তান্তরিত হলেও দাতা জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।
এদিকে একই বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনটি গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করবে।
খসড়া আইনে আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন এবং দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।
এ ছাড়া মন্ত্রিসভা ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ফলে ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সরকারি ওষুধের মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।


